ধনী দরিদ্রের পার্থক্য (আপডেট হবে)

বাংলাদেশের উন্নয়ন হলেও দিন দিন ধনী ও দরিদ্রের পার্থক্য বেড়েই চলছে। পাবলিক সার্ভিস ধনী ও দরিদ্রের জন্য একইভাবে কাজ করছে না। ক্ষমতাবানরা সরকার অফিস, আদালত, হাসপাতালসহ বিভিন্ন জিনিসে প্রায়োরিটি পায়। ফলে দারিদ্রতা কমছেই না বরং বাড়ছে। দেশ ধনী হলেও দারিদ্রতা বৃদ্ধির কারনগুলো সর্ট আউট করতে চেষ্টা করছি।

ভূমি দস্যুতা

বাংলাদেশে অতি দারিদ্রতার বড় কারন “ভূমি দস্যুতা”। বড় ধনীদের দেখবেন অনেক অনেক খাস জমির মালিক। অতি দরিদ্রদের দেখবেন কোনভাবে বাপ দাদার জমি বেদখল হয়ে যায়।

১. এ বিষয়ে সরকারের ছত্রছায়ায় নেতারা দখলদারের ভূমিকা নেয়। হিন্দুদের বাড়ি পুড়ে, মুসলমানদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে তাদের ভূমি থেকে তারায়। সেই জমির মালিক হয় প্রভাবশালীরা।

২. সরকারী খাসজমিগুলো লীজ নেয় বা দখল করে বড় ভবন তৈরী করে দোকান/মার্কেট/ফ্লাট বিক্রি করে দেয়।

৩. পাহাড়ের জমিতে সুন্দর প্রোজেক্টের নামে প্রোজেক্ট তৈরী করে পাহাড় ধ্বংশ করে। পাহাড়ীদের নির্যাতন করে, তাদের বাপ-দাদার বাড়ি ঘর থেকে তাদের সরে যেতে হয়। পাহাড়িরা এ জন্য বাঙালীদের সাথে কনফ্লিক্টে জড়ায়।

৪. সরকারী বা রেলের বা পাহাড়ের জায়গায় বস্তি বানিয়ে চাঁদা তোলা।অথচ সরকার কখনোই ভূমি দরিদ্রদের বন্টনের কোন প্লান হাতে নেয় নাই। এভাবে ধনীরা আরো ধনী হচ্ছে-দরিদ্ররা আরো দরিদ্র হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *