উদ্যোগের সময়

কোন একটা সার্ভিস শুরু করার সময় হয়েছে কিনা-এটা যে কোন উদ্যোগের ক্ষেত্রে দারুনভাবে প্রভাব ফেলে। জীবন ও যৌবনের সঠিক সময়ে সঠিক কাজটা করা ভবিষ্যতের জন্য যতটা না জরূরী তার চেয়ে বেশি জরুরী সেই বর্তমানের জন্য।

অনলাইন উদ্যোক্তাদের মধ্যে যারা সফল হয়েছেন তাদের মতো সার্ভিস অনেকে আগে বা পরে করে ব্যর্থ হয়েছে। এটা বিশ্বাসযোগ্য?

হা। এমনটাই হয়েছে।

ই-কমার্সের ক্ষেত্রে সামাজিক বিশ্বাসযোগ্যতা বেশ গুরুত্ব বহন করে। সামাজিক বিশ্বাসযোগ্যতার সাথে রয়েছে ইকো সিস্টেম। অন্য দেশে ইকমার্স অনেক আগে শুরু হলেও বাংলাদেশে বেশ পরে শুরু হয়েছে-কারন ইকোসিস্টেম তৈরী হয় নি। আবার এই ইকোসিস্টেম তৈরী হতে লেগেছ অনেকগুলো ফেইল প্রোজেক্ট। হা, যারা ফেল করেছে, তাদের বড় একটা অবদান আছে।

যারা এখন ভালভাবে সারর্ভাইভ করছে তাদের অনেকে যে ফেল প্রোজেক্টে পরিনত হবে না তাও বলা যায় না। এভাবে আল্প কয়েকজনই দাড়িয়ে থাকবে।

বাংলা ব্লগের দিকে তাকান। অনেকেই সামাজিক ব্লগ শুরু করেছিল। যে কেউ লিখতে পারতো। সামহোয়্যারইন, প্রথমআলোব্লগ, আমারব্লগ, টেকটিউন্স সহ অনেকেই শুরু করেছিল। সবাই কিন্তু সারভাইভ করতে পারে নাই। আমি শুরু করেছিলাম টিউটোরিয়ালবিডি আরেক বন্ধু শুরু করেছিল বিজ্ঞানপ্রযুক্তি ব্লগ। অনেকগুলো একটিভ ফোরামও ছিল-যা এখন নাই হয়ে গেছে। আগ্রহ মরে গেছে বা হয়তো ভেবেছিল টাকা আসবে-আস নাই। টেকনিক্যাল সমস্যা দূর ও খরচ মিটাতে যে পরিমান আগ্রহ থাকতে হয় তা না থাকলে কিভাবে সার্ভাইভ করবে?

শুধু বাংলাদেশেই না। সারাবিশ্বের অনেক অনেক ভাল সাইট বিজ্ঞাপনের টাকা দিয়ে চলতে না পেরেও বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন ইকোসিস্টেম চলে আসছে-এই সময় হয়তো সবাইকেই টাকা দিয়ে কনটেন্ট পড়তে হবে। অল্পকিছু মানুষই ভাল কনটেন্ট বানাবে। যারা টাকা দিতে পারবে তারা পড়বে।

বাংলাদেশের ই-কমার্সের এখন রমরমা অবস্থা। বিদেশী ইনভেস্টরও আসছে বেশ। কিন্তু এখনো সম্পুর্ণ বিশ্বাসযোগ্যতার পরিবেশ তৈরী হয় নাই।

এছাড়াও পড়তে পারেনঃ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *