বিদ্বেস চক্র

রাস্ট্র, সমাজ, প্রতিষ্ঠান,পরিবার বা কোন গ্রুপ বা কোন ব্যক্তি আপনার উপর অবিচার করেছে।
তাই আপনার মধ্যে একটা বিদ্বেস সৃষ্টি হতে পারে। কোন এক নিরপরাধ ব্যক্তি সেই বিদ্বেসের স্বীকার হবে। এভাবে একটা অবিচার থেকে আরেকটা অবিচার, সেটা থেকে আরেকটার শুরু হয়।
কোন একটি মেয়ে প্রেমে প্রতারিত হয়ে। দ্বিতীয় প্রেম করতে গেলে। সেই প্রেমটা আগের মতো হবে না।
বেচারা দ্বিতীয় প্রেমিক অনেক সন্দেহের বেড়াজালে আটকে থাকবে। দ্বিতীয় স্বামী বা স্ত্রীর বেলায়ও এটা হতে পারে।
যে জীবনে বেশি কষ্ট ও প্রতারিত হয়, সে চাইলেই কিন্তু অন্যকে বেশি কষ্ট দিতে বা প্রতারণা করতে পারে। এটা তার যোগ্যতা।
অবশ্য অনেকে নিজে নিজেকে এই বিদ্বেস চক্রটা সম্পর্কে অবহিত করে। এবং নিরপরাধ ব্যক্তি যাকে সন্দেহ করা হয়েছে তাকে “সরি” বলে। এ-বেপারে যারা সচেতন না, তারা কিন্তু নিজেরা বেশ ভোগান্তিতে পরতে পারে।
আমি নিজেও এই বিদ্বেস চক্র থেকে মুক্ত না। অবশ্য ইদানিং চাচ্ছি বিদ্বেস মুক্ত হতে। ভেবে নিচ্ছি- পূর্বের কারো কারনে আমার উপর ঐ অবিচারটা করা হয়েছিল। আবার অনেক সময় সেটার সুফল খুজে বের করছি। অথবা এমন কোন ঘটনা ঘটে নাই- এটা ভাবছি। চেস্টা চলছে।
কারন আপনার উপর কোন অবিচার আপনাকে যতটা ক্ষতি করবে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি করে ফেলতে আপনার চরিত্রের।
আর এ জন্যই শিশুরা কতই না পবিত্র। 🙂

প্রথম প্রকাশঃ ফেসবুক-এ ১৯ জানুয়ারী ২০১৬

https://www.facebook.com/notes/mahbub-alam/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B8-%E0%A6%9A%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0/10153870041510148