শুরু করা

অনেকেই অনেক কিছু শুরু করে। শেষ করা হয় না। অনেক গবেষণা করে কোন একটি অভ্যাসকে নিজের মধ্যে আনার চেষ্টাকে-বাস্তবে রূপ দেওয়া সহজ না। তবে এটি সহজ করার জন্য লিউ এর পোস্টটি নিজের মতো করে লিখছি।

start

একটি কাজ হাতে নিন। অনেকগুলো না। কোন সু-অভ্যাস নিজের মধ্যে আনতে চাইলে একটি দিয়ে শুরু করুন। এটির প্রতি মনযোগ বাড়বে। ধরাযাক আপনি সকালে হাটার অভ্যাস করতে চান বা নিয়মিত ব্লগ লিখতে চান বা ব্যায়াম করতে চান- যা হয়ে ওঠে না। অথবা ধরুন আপনি নিয়মিত নামাজ পড়তে চান বা পাঁচবার মেসওয়াক করতে চান। প্রথমে একটি কাজ পছন্দ করুন। অনেকগুলো একসাথে না।

আপনার সু-অভ্যাসের বিষয়টি কোন বন্ধুকে জানাতে পারেন। সবচেয়ে ভাল হয়, যার এই সু-অভ্যাস আছে তাকে জানালে।

কাজটি সহজ করুন। প্রথমে আপনার কাছে কাজটি কঠিন মনে হবে। আপনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজি না, কিন্তু শুরু করছেন এখন। তাই প্রথম দিকে কিছু দিন শুধু ফরজ পড়ুন। পড়ার পর শুক্রিয়া “আলহামদুলিল্লাহ” পড়ুন। আপনি কাজটি করতে পেরেছেন। নিজের প্রতি তৃপ্তি অনুভব করুন। আশা করি কিছু দিনের মধ্যে সুন্নত নামাজগুলো পড়তে আপনার জন সহজ হয়ে যাবে। আশা করি- আপনি নিজেই সুন্নত নামাজ পড়তে থাকবেন।

ব্যায়ামের আভ্যাস গড়তে চাইলে প্রথমে দুইটা-চারটা পুশ-আপ করে শুরু করে ধীরে বাড়াতে পারেন। লেখালেখির অভ্যাস গড়তে চাইলে প্রতিদিন অল্প হলেও লিখুন। ভাল মানের হোক বা না হোক। লিখুন।

নিজের আসপাস থেকে আপনাকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য বলুন। নিয়মিত পানি খাওয়ার অভ্যাস করতে চাইলে পানি খাওয়ার অ্যাপস ব্যবহার করতে পারেন যা আপনাকে পানি খাওয়ার কথা মনে করিয়ে দিবে। আপনি এখন যে অভ্যাসটি ঠিক করার কথা ভাবছেন, কয়েকদিন পর সেটি নিজের কাছে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে হতে পারে। তখন আপনার পাসের বন্ধুটি আপনাকে মনে করিয়ে দিবে।

নিজেকে মটিভেটেড করুন। আপনার সু-অভ্যাসটি আপনার জন্য কি কি উপকারে আসবে তা নিয়ে গবেষণা আপনার কাজটি নিজের কাছে সহজ করে দিবে।

প্রতিদিন ছোট একটু পরিবর্তনকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন। নিজের কাজে আনন্দিত হোন। ছোট ছোট পরিবর্তন আপনাকে বড় করে তোলবে। নিজেকে বিশ্বস করুন।

আরেকটি সু-অভ্যাস শুরু করুন। আশা করা যায় আপনি পারবেন।

লেখাটা আ্মার নিজের জন্য। আমি নিজেই অনেক কাজ শুরু করে শেষ করতে পারি নি। নিজের অভ্যাসগুলো ঠিক করতে হলে মাঝে মাঝে এই লেখা পড়বো। 🙂

একই ধরনের লেখা- উদ্যোগ